নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত
বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নওগাঁ ও লালমনিরহাটে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বেশি।
আইইডিসিআরের তথ্য
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে—
- ২০২৪ সালে নিপাহ ভাইরাসে ৫ জনের মৃত্যু হয়।
- ২০২৫ সালে আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মৌসুম ও নতুন ঝুঁকি
সাধারণত ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাসকে নিপাহ ভাইরাসের মৌসুম ধরা হয়। তবে ২০২৫ সালের আগস্ট মাসেও রোগী শনাক্ত হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, খেজুরের কাঁচা রস ছাড়াও অন্য কোনো উৎস থেকে সংক্রমণ ঘটতে পারে। এছাড়া প্রথমবারের মতো ভোলায় রোগী শনাক্ত হয়েছে, যেখানে আগে কখনো এই ভাইরাস পাওয়া যায়নি। 1
⚠️ চিকিৎসা ও জটিলতা
এখনও নিপাহ ভাইরাসের জন্য কার্যকর কোনো চিকিৎসা বা টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণ
নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে দেখা দিতে পারে—
- জ্বর ও মাথাব্যথা
- শ্বাসকষ্ট ও কাশি
- বমি
- অসংলগ্ন আচরণ ও প্রলাপ
- ঘাড় ও পেশিতে ব্যথা
- খিঁচুনি ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
প্রতিরোধের উপায়
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন—
- খেজুরের কাঁচা রস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- পাখি বা প্রাণীর আধা খাওয়া ফল খাওয়া যাবে না।
- যেকোনো ফলমূল পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে।
নজরদারি ও প্রস্তুতি
ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন……












