পরিচিতি
গ্লউকোমা হল চোখের একটি রোগ যা মূলত চোখের অভ্যন্তরীণ চাপের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির কারণে ঘটে এবং চোখের অপটিক নার্ভের ক্ষতি করতে পারে, যা দৃষ্টিহানি এবং এর চূড়ান্ত পরিণামে অন্ধত্বের সম্ভাবনা বাড়ায়।
Glaucoma কেন হয়?
গ্লউকোমা সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে ঘটে:
- চোখের চাপের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। যখন চোখের অভ্যন্তরীণ তরল (aqueous humor) ঠিকমতো নিষ্কাশিত হতে পারে না।
- বংশগত কারণ। গ্লউকোমা পরিবারে বংশগতভাবে চলতে পারে।
- অন্যান্য অবস্থা। যেমন মধুমেহ বা উচ্চ রক্তচাপ।
লক্ষণসমূহ
গ্লউকোমার প্রারম্ভিক অবস্থায় সাধারণত কোন লক্ষণ প্রকাশ পায় না। এর কারণে এটি ‘দৃষ্টির চুরির’ রোগ হিসেবে পরিচিত। অগ্রগতি হওয়ার সাথে সাথে, লক্ষণগুলি নিম্নরূপ হতে পারে:
- পারিধিক দৃষ্টির হ্রাস।
- দৃষ্টির ধীরে ধীরে অবনতি।
- উন্নত অবস্থায়, দৃষ্টির ক্ষেত্রের সংকীর্ণতা।
- হঠাৎ চোখের ব্যথা, অস্বাভাবিক লালভাব, এবং দৃষ্টিতে বিকৃতি (‘হ্যালো’) দেখা, যা এক্যুট এঞ্জেল-ক্লোজার গ্লউকোমা হতে পারে।
চিকিৎসা
গ্লউকোমা সাধারণত একটি চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা নয়, তবে এর অগ্রগতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত করতে পারে:
- মেডিকেশন। প্রেসক্রিপশন আই ড্রপস চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে ও নির্গমন উন্নত করতে পারে।
- লেজার থেরাপি। তরলের প্রবাহ উন্নত করার জন্য চোখের পথকে খোলা।
- সার্জারি। তরলের নির্গমন পথ তৈরি করা বা উন্নত করা।
ঘরোয়া চিকিৎসা
গ্লউকোমা এমন একটি অবস্থা যেখানে ঘরোয়া চিকিৎসার উপর নিভর করা উচিত নয়। তবে, নিম্নলিখিত উপায়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং চাপ প্রবনতা প্রতিরোধ করা সম্ভব:
- নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম।
- স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
- ধূমপান এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়ানো।
- রেগুলার চেক-আপ এবং চোখের প্রেশারের মনিটরিং।
যদি আপনি গ্লউকোমা সম্পর্কে চিন্তিত হন, অবশ্যই একজন চোখের বিশেষজ্ঞ দেখান। এটি দ্রুত নির্ণয় এবং উপযুক্ত চিকিৎসা শুরু করার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
আরো পড়ুন…










