বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, করোনা ভাইরাসের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন-১ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ইতিমধ্যে এটি ৪০টিরও বেশি দেশে শনাক্ত হয়েছে। নভেম্বরের শুরুতে আক্রান্তের হার ছিল মাত্র ৩ শতাংশ, কিন্তু এক মাসের মধ্যে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭.১ শতাংশ।
📰 আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন
ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, শীতকালীন দেশগুলোতে এই ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার আরও বাড়তে পারে। WHO-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর বর্তমানে এটি বিশ্বের ৪১টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভারতের পরিস্থিতি
এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারতে এখন পর্যন্ত ২১ জন জেএন-১ এ আক্রান্ত হয়েছেন।
- গোয়া রাজ্যে: ১৯ জন
- মহারাষ্ট্রে: ১ জন
- কেরালায়: ১ জন
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, কেরালায় সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ১ থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ জন। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রী মনসুখ মান্দাভিয়া বলেছেন, নতুন ধরন নিয়ে সতর্কতা ও ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
⚠️ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ জেএন-১?
WHO জানিয়েছে, আপাতত এই ভ্যারিয়েন্ট জনস্বাস্থ্যে অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করছে না। ঝুঁকির মাত্রা কম পর্যায়ে রয়েছে।
CDC বলছে, জেএন-১ এর লক্ষণগুলো এখনো অন্য ধরন থেকে আলাদা নয়। সাধারণ কোভিড-১৯ এর মতোই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে:
- জ্বর, সর্দি, কাশি
- শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি
- মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা
- স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া
- গলা ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া
- বমি বমি ভাব ও ডায়রিয়া
বিদ্যমান টিকা, পরীক্ষা ও চিকিৎসা জেএন-১ এর বিরুদ্ধে কার্যকর বলে ধারণা করছে CDC।
🌐 কোন কোন দেশে বেশি আক্রান্ত?
WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, জেএন-১ আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে:
- ফ্রান্স
- যুক্তরাষ্ট্র
- সিঙ্গাপুর
- কানাডা
- যুক্তরাজ্য
- সুইডেন
যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্রথম দেখা দেয় সেপ্টেম্বরে এবং বর্তমানে দেশটির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
আরো পড়ুন….












