শিশুর পায়ুপথে আলসার: বাস্তব অভিজ্ঞতা
নওগাঁ জেলার নজিপুরে মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের সাত দিন পর তার পায়ুপথে ঘা দেখা দেয়। একই সময়ে ঘনঘন পাতলা পায়খানা শুরু হয়।
প্রথমে স্থানীয় ডাক্তাররা ঘুমের ওষুধ ও মলম দেন। কিন্তু এতে শিশুর কষ্ট আরও বেড়ে যায়। মলম লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে সে কান্না ও ছটফট করতে থাকে। ঘা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে। শিশুর অবস্থা অবনতির দিকে যায়।
দ্বিতীয় ডাক্তার বুকের দুধ বন্ধ করে কৌটার দুধ খাওয়াতে বলেন। এতে শিশুর পায়খানা বন্ধ হয়ে যায়। নতুন কষ্ট যোগ হয়।
রাজশাহীর ডাক্তার জানান, শিশুদের এমন হতে পারে। কষ্ট বাড়লে যোগাযোগ করতে বলেন।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় পরিবর্তন
মাদানী হোমিওপ্যাথিক ইন্টারন্যাশনাল শিশুটিকে পরীক্ষা করে। তারা এটিকে পায়ুপথের আলসার হিসেবে চিহ্নিত করেন। এক মাসের ওষুধ দেওয়া হয়।
মাত্র দুই দিনেই শিশুর কষ্ট কমে যায়। কান্না বন্ধ হয়। শিশুটি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। প্রথম মাসে ঘা অনেকটা কমে যায়। দ্বিতীয় মাসে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।
চিকিৎসা ছয় মাস চলতে থাকে। ওয়ালিউল্লাহ এখন সম্পূর্ণ সুস্থ।
উপসংহার
শিশুর পায়ুপথে আলসার একটি জটিল সমস্যা। তবে সঠিক চিকিৎসায় সুস্থ হওয়া সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ওয়ালিউল্লাহর সুস্থতার গল্প অভিভাবকদের জন্য আশার আলো হতে পারে।
মাদানী হোমিওপ্যাথিক ইন্টারন্যাশনাল এর পক্ষ থেকে ওয়ালিউল্লাহর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন












