আনারসের উপকারিতা
পুষ্টিগুণে আর স্বাদে আনারস অতুলনীয় আপনি আনারসের উপকারিতা জানলে অবাক হয়ে যাবেন। জেনে নিন আনারসের যত উপকার। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। যা শরীরের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। অথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট রোগ, বাত এবং বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়।
প্রতি ১০০ গ্রামে আনারসে পাওয়া যায়
আনারসের উপকারিতা:
- জ্বর ও জন্ডিস রোগের জন্য বেশ উপকারী।
- গলা ব্যথা,
- সাইনোসাইটিস জাতীয় ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- হজমে সাহায্য করে।
- শরীরের অন্য অঙ্গগুলোকেও ভালো রাখে।
- দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহয়তা করে।
- আবার আনারস ক্ষুধাবর্ধক হিসেবে কাজ করে।
- যে কোনো অসুস্থতার পরে মুখে রুচির জন্য আনারস অতুলনীয়।
- আপনার দাঁতের মাড়ি আর দাঁত দুটোই আনারস খেলে ভালো থাকবে ।
- আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃৎপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।
- হৃৎপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে।
- হৃৎপিণ্ডের নানা রকম অসুখে থেকে আনারস দেয় সুরক্ষা।
- ত্বকের অসুখ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ির যে কোনো ইনফেকশন আলসার এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ।
- দেহের তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণসহ সব রূপলাবণ্যে আনারসের যথেষ্ট উপকার রয়েছে।
- আনারসের প্রোটিন ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়।
- দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।
- শিরা-ধমনির দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে সাহায্য করে।
- রক্ত শোধন বা টক্সিন ফ্রি করতে এই ফল যথেষ্ঠ ভূমিকা রাখে।
- কৃমিনাশক। [ কৃমি দূর করার জন্য সকালে খালি পেটে আনারস খাওয়া উচিত। তবে অবশ্যই অ্যাসিডিটি থাকলে খালি পেটে আনারস ক্ষতি করতে পারে। ]
- হাড় ও কানেক্টিভ টিস্যুকে করে শক্তিশালী।
আনারস বিভিন্ন ভাবে খেতে পারেন।
আনারসে বিভিন্ন ভিটামিনের উৎস:
আনারসে বিভিন্ন ভিটামিনের উৎস আছে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি ও সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ব্রোমেলেইন, বিটা-ক্যারোটিন, মিনারেল, শর্করা, ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন ও সহজপাচ্য ফ্যাট খুবই অল্প পরিমাণে। এ ছাড়া প্রতি কেজি আনারস থেকে প্রায় ৫০০ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়।
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি বিদ্যমান থাকায় এবং এতে ফ্যাটের পরিমাণ একেবারেই কম হওয়ায় এই ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি একটি রুচিবর্ধক ফল। তাই মুখে রুচি না পেলে আনারস খান। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম, মিনারেলস, ম্যাংগানিজ ও ভিটামিন থাকে। মুখের ভিতরের জীবাণুর আক্রমণ রোধ করে। সারা দিনের ক্লান্তি দূর করবে।
আনারস বিভিন্ন ভাবে খেতে পারেন। আনারস খেতে পারেন জুস করে কিংবা সালাদ করে।












