এ সপ্তাহের হাইলাইটস
গর্ভধারণের প্রথম দিকের সময়টা অনেকটাই অজানা ও বিস্ময়ভরা। বিশেষ করে গর্ভধারণের ৩ সপ্তাহ মায়ের শরীরে ভেতরে ভেতরে বড় পরিবর্তন শুরু হয়, যদিও বাইরে থেকে তেমন কিছু বোঝা যায় না। এ সময় আয়রন–ফলিক এসিড ট্যাবলেট খাওয়া, ধূমপান এড়িয়ে চলা, প্রেগন্যান্সি টেস্টের প্রস্তুতি নেওয়া এবং সঠিক ডাক্তার খুঁজে বের করা—সবকিছুই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইসাথে বাবারও কিছু করণীয় থাকে, যেমন মায়ের স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করা ও ধূমপান ছেড়ে দেওয়া।
এই লেখায় আমরা তুলে ধরছি গর্ভধারণের ৩ সপ্তাহ, যেখানে শিশুর বৃদ্ধি, মায়ের শরীরের পরিবর্তন, প্রেগন্যান্সি টেস্টের গুরুত্ব এবং বাবার করণীয় বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
- প্রতিদিন আয়রন–ফলিক এসিড ট্যাবলেট খাওয়া জরুরি। এটি শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র সুস্থভাবে বিকশিত হতে সাহায্য করে।
- ধূমপানের আশেপাশে থাকবেন না। এটি গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর।
- কোন ডাক্তার দেখাবেন তা নিয়ে আগেভাগেই খোঁজখবর নিন।
গর্ভধারণের সময়কাল
- মাসে কত দিন? ৩ সপ্তাহ
- কোন ট্রাইমেস্টার? প্রথম ত্রৈমাসিক
- আর কত সপ্তাহ বাকি? ৩৭ সপ্তাহ
৩ সপ্তাহে শিশুর বৃদ্ধি
- ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনে ভ্রূণ তৈরি হয়।
- ভ্রূণ জরায়ুতে এসে গেঁথে যায় এবং সেখানেই বেড়ে ওঠে।
৩ সপ্তাহে মায়ের শরীর
- মাসিক দেরি হওয়া গর্ভধারণের প্রথম লক্ষণ।
- ভ্রূণের কোষ থেকে hCG হরমোন তৈরি হয়, যা মাসিক বন্ধ করে।
- প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট প্রস্রাবে এই হরমোন শনাক্ত করে।
প্রেগন্যান্সি টেস্ট
- মাসিক না হলে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট কিনে রাখুন।
- যত দ্রুত নিশ্চিত হবেন, তত দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
- টেস্ট পজিটিভ হলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
এ সপ্তাহে বাবার করণীয়
- গাইনী ডাক্তারের সাথে চেকআপে যান।
- মায়ের ওজন স্বাস্থ্যকর সীমায় রাখতে সাহায্য করুন।
- স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামে উৎসাহ দিন।
- ধূমপান ছেড়ে দিন এবং অন্যদেরও ধূমপান না করতে বলুন।
আরো পড়ুন……..
গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড পরীক্ষা কেন জরুরি










