ভূমিকা
ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যার মূল সমস্যা রক্তে অতিরিক্ত শর্করা। সঠিক খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিচে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা ও তাদের উপকারিতা তুলে ধরা হলো।
শাকসবজি
উপকারিতা:
- শাকসবজিতে ক্যালোরি কম, কিন্তু ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি।
- রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়তে সাহায্য করে।
- ব্রোকলি, পালং শাক, করলা, লাউ ইত্যাদি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়।
কম গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত শর্করা
উপকারিতা:
- কম গ্লাইসেমিক সূচক (GI) মানে খাবার ধীরে হজম হয়, ফলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়ে না।
- উদাহরণ: মিষ্টি আলু, বাদামি চাল, ওটস।
- দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে, অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।
ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ
উপকারিতা:
- রক্তে ফ্যাটের মাত্রা কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।
- ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়।
- স্যামন, সার্ডিন, রুই মাছ ভালো উৎস।
বাদাম ও বীজ
উপকারিতা:
- ফাইবার, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে ভরপুর।
- রক্তে শর্করার ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- আখরোট, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড উপকারী।
ফলমূল (নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে)
উপকারিতা:
- প্রাকৃতিক শর্করা থাকলেও ফাইবারের কারণে শর্করা ধীরে শোষিত হয়।
- আপেল, পেয়ারা, জাম, বেরি জাতীয় ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ।
- ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে।
কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার
উপকারিতা:
- ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন সরবরাহ করে।
- ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে।
- দই, স্কিমড দুধ, পনির নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে গ্রহণযোগ্য।
সতর্কতা
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাদ্য পরিবর্তন করবেন না।
প্রতিটি মানুষের শারীরিক অবস্থা ভিন্ন, তাই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
আরো পড়ুন
হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কি?












