এবিস নায়গ্রা (Abies Nigra )
( আমেরিকার ঝাউগাছের মত একপ্রকার গাছের আটা হইতে প্রস্তুত ) ইহা একটি দীর্ঘক্রিয় ঔষধ এবং পাকস্থলীর উপরেই ইহার ক্রিয়া অধিক। কোনও পীড়ার সহিত বায়ু ও অম্লের লক্ষণ থাকিলে, বৃদ্ধদের অম্ল ও অজীর্ণ পীড়ার সহিত হৃৎপিণ্ডের কোনও পীড়া থাকিলে এবং অতিরিক্ত চা পান ও তামাক খাওয়ার জন্য ডিস্পেপসিয়া পীড়া হইলে ইহাতে অধিক উপকার হয়। নার্ভাস, লেখাপড়ার কার্য্য বা চিন্তা করিবার ক্ষমতালোপ, দিবসে নিদ্রালু রাত্রিতে অনিদ্রা, কোষ্ঠবদ্ধতা, আহারের পর পেটে বেদনা, ভুক্তদ্রব্য পেটে গোলার মত হইয়া থাকা কিম্বা জড়াইয়া উঠা, বেদনা প্রভৃতি ইহার চরিত্রগত লক্ষণ।
অম্লশূল বেদনা–একটু পেট ভরিয়া আহার করিলেই পেটে এক প্রকার যন্ত্রণাদায়ক বেদনা উপস্থিত হয়, মনে হয় পাকস্থলীর মুখে (in-cardia) যেন কি একটা গোলার মত শক্ত পদার্থ আটকাইয়া আছে ( এনাকার্ডিয়ম ও সিঙ্কোনা অধ্যায় দেখুন )। এবিসের রোগীর এক অদ্ভুত লক্ষণ–বেলা দ্বিপ্রহরে ও রাত্রিতে অত্যন্ত ক্ষুধা হয়, এমন কি ক্ষুধার জন্য নিদ্রা হয় না; কিন্তু প্রাতঃকালে কিছুমাত্র ক্ষুধা থাকে না।
হৃৎপিণ্ডের পীড়া—বুকের ভিতর এক প্রকার যন্ত্রণা হয় ও সেখানে বোধ হয়। যেন কিছু আটকাইয়া আছে, রোগী তাহার জন্য পুনঃ পুনঃ কাশে, কাশির সময় মুখ দিয়া অনবরত জল উঠে, গলা যেন কেহ চাপিয়া ধরিয়াছে, তাহাতে দম বন্ধ হইয়া যাইবে এইরূপ বিবেচনা হয়। হৃৎপিণ্ডে তীক্ষ্ণ বেদনা, হৃৎপিণ্ড ভারী ও হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া ধীর হয় : ট্যাকিকার্ডিয়া, ব্র্যাডিকার্ডিয়া (মগ্রণীত “প্র্যাকটিসনার্স গাইড” ১ম খণ্ড দেখুন)।
ঋতুস্রাব–দুই তিন মাস অন্তর হয় ও পুনরায় বন্ধ হইয়া যায়।
সম্বন্ধ (complements)—ব্রায়োনিয়া, নক্স, থুজা, ক্যালি-কার্ধ্ব।
বৃদ্ধি (aggravation)—আহারের পরক্ষণেই।
ক্রম (Potency)-১ম হইতে ৩০ শক্তি। ফরমূলা—৬-এ।
আরো পড়ুন
ভাল হয়ে গেল লিভার ক্যান্সারসহ টিউমার






